ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনার সিলেট ইবনে সিনা হাসপাতালে অপারেশন শেষে কিছুটা স্বস্থি অনুভব করায় নিজ বাসভবনে ফিরেছেন বাহুবল উপজেলা পরিষদের সদ্য সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান এবং পুটিজুরী ইসলামিয়া আরাবিয়া মাদরাসার মুহতামিম, বিশিষ্ট আলেম হাফেজ মাওলানা কামরুল ইসলাম। তবে তাঁর এই দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মহলে দানা বাঁধছে গভীর রহস্য ও নানা গুঞ্জন।
পিকআপের ধাক্কায় সাবেক এই ভাইস চেয়ারম্যানের পা একাধিক জায়গায় ভেঙে যাওয়ার ঘটনাটি সাধারণ কোনো দুর্ঘটনা নয়, বরং এর পেছনে গভীর ষড়যন্ত্র থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা। বাহুবল উপজেলার গুলগাঁও গ্রামের বাসিন্দা শাহেদ আলী ক্ষোভ ও সন্দেহ প্রকাশ করে বলেন, “হতে পারে সদ্য সাবেক এই সফল ভাইস চেয়ারম্যানকে আগামী নির্বাচন থেকে দূরে রাখতেই কোনো মহল গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। তাকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়া বা চিরতরে পঙ্গু করে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই হয়তো এই পরিকল্পিত হামলা বা দুর্ঘটনা ঘটানো হয়েছে।”
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, কামরুল ইসলাম সাহেবের ব্যাপক জনপ্রিয়তা এবং সামাজিক গ্রহণযোগ্যতার কারণে ঈর্ষান্বিত হয়ে কোনো পক্ষ এই ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে।
বিষয়টি নিয়ে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং সুষ্ঠু তদন্তের দাবি উঠছে।
এদিকে বাড়িতে ফেরার পর থেকে প্রিয় এই নেতাকে দেখতে প্রতিদিন শত শত মানুষ তাঁর বাসভবনে ভিড় করছেন। মানুষের এই ভালোবাসা ও সহানুভূতিতে আপ্লুত হাফেজ মাওলানা কামরুল ইসলাম বলেন, “দুর্ঘটনার পর থেকে প্রায় প্রতিদিনই অসংখ্য মানুষ আমাকে দেখতে আসছেন, খোঁজখবর নিচ্ছেন। সবার এই ভালোবাসা ও উপস্থিতিতে আমি মানসিকভাবে অনেকটা সুস্থতা অনুভব করছি।”
তিনি এখনো পুরোপুরি সুস্থ হতে আরও কিছুদিন সময় লাগবে জানিয়ে দেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে এবং বিশেষ করে বাহুবলবাসীর কাছে দ্রুত ও পূর্ণ সুস্থতার জন্য আন্তরিক দোয়া চেয়েছেন।