Dhaka ১০:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বাহুবলের মাটি থেকে জাতীয়-আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলো ছড়ানো মনীষী সৈয়দ আব্দুল্লাহর জন্মদিন আজ একই সড়ক সকালে উদ্বোধন জামায়াত এমপির, বিকেলে বিএনপি নেতার শিকড় সন্ধানী গবেষক সৈয়দ আব্দুল্লাহর ৭৯তম জন্মদিন আজ বাহুবলের মিরপুরে পিকআপ-কাভার্ড ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১ এইচএসসি পাস করলেন জেলা ছাত্রদল সভাপতির ছেলে, ফেসবুক পোস্ট ঘিরে আলোচনা-সমালোচনা বাহুবলে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন, যুব ঋণ বিতরণ বাহুবলে অবৈধ বালু পরিবহনে রাত ১টায় অভিযান, জরিমানা ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা অনুমতি ছাড়া মেলার আয়োজন, প্রশাসনের অভিযানে পণ্ড হলো মিরপুরের বাণিজ্যমেলা দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে ঝুলিয়ে রাখা এবং ২ হাজার ৮১১ কোটি টাকা ব্যয়ের পর অবশেষে বাতিল করা হয়েছে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বহুল আলোচিত ঢাকা-গাজীপুর বাস র‍্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্প। মাদারীপুরের শিবচরে আধুনিক চারতলা ডাকবাংলো ভবনের উদ্বোধন, সেলাই প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নারীদের সনদ ও আর্থিক সহায়তা প্রদান,
পুরনো গ্রুপের দ্বন্দ্বের পর নতুন সিন্ডিকেট সক্রিয়, দিনে প্রকাশ্যে উত্তোলন ও রাতে পাচার—প্রশাসনের নীরবতায় ক্ষোভ

নতুন সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যে বাহুবলের হরিতলায় ফের সিলিকা বালু উত্তোলনের হিড়িক

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার হরিতলা এলাকায় আবারও অবাধে সিলিকা বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। প্রশাসনের অভিযানে কিছুদিন বন্ধ থাকার পর বর্তমানে নতুন সিন্ডিকেট গড়ে উঠে পুনরায় বালু উত্তোলন শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এতে করে এলাকায় উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক মাস আগে উপজেলা প্রশাসন অভিযান চালিয়ে বালু উত্তোলন বন্ধে কিছু পদক্ষেপ নেয়। সে সময় পূর্বের দুটি গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্ব ও প্রশাসনের চাপের কারণে কার্যক্রম কিছুদিনের জন্য বন্ধ থাকে। তবে সম্প্রতি নতুন একটি সিন্ডিকেট গড়ে উঠে আবারও পুরোদমে সিলিকা বালু উত্তোলন শুরু করেছে।
অভিযোগ রয়েছে, দিনের বেলায় প্রকাশ্যে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে এবং রাতের আঁধারে ট্রাক, ট্রাক্টরসহ বিভিন্ন যানবাহনে করে তা বিভিন্ন স্থানে পাচার করা হচ্ছে। এতে করে এলাকার কৃষিজমি, টিলা ও পাহাড় মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।

আরও পড়ুনঃ  একই সড়ক সকালে উদ্বোধন জামায়াত এমপির, বিকেলে বিএনপি নেতার

এলাকাবাসী জানান, হরিতলার বিভিন্ন স্থানে প্রভাবশালী একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে সিলিকা বালু উত্তোলন করে আসছে। প্রশাসনের সাময়িক অভিযানের পর কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও বর্তমানে নতুন সিন্ডিকেটের মাধ্যমে তা আবার শুরু হয়েছে। বিশেষ করে গভীর রাতে বালুভর্তি গাড়ি চলাচল করলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।

আরও পড়ুনঃ  বাহুবলের মাটি থেকে জাতীয়-আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলো ছড়ানো মনীষী সৈয়দ আব্দুল্লাহর জন্মদিন আজ

স্থানীয়দের অভিযোগ, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কর্মকর্তাদের একাধিকবার জানানো হলেও অনেক সময় তারা ফোন রিসিভ করেন না কিংবা কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় না। ফলে বালু উত্তোলনকারী চক্র আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত এক ব্যক্তি বলেন, “আমরা সব কিছু ম্যানেজ করেই বালু উত্তোলন করি।” তার এমন বক্তব্যে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসনের নীরবতা ও দায়িত্বহীনতার সুযোগে একটি নতুন প্রভাবশালী সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পাচার চালিয়ে যাচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  এইচএসসি পাস করলেন জেলা ছাত্রদল সভাপতির ছেলে, ফেসবুক পোস্ট ঘিরে আলোচনা-সমালোচনা

এ বিষয়ে বাহুবল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উজ্জ্বল রায় বলেন, গভীর রাতে অভিযান পরিচালনা করা আমাদের জন্য কঠিন হয়ে যায়। আমরা অভিযানে যাওয়ার আগেই অপরাধীরা খবর পেয়ে যায়, ফলে ঘটনাস্থলে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায় না। তিনি আরও বলেন, রাতের বেলা পুলিশ টহলে থাকে—যে দিক দিয়ে বালু বহন করা হয়, পুলিশ যদি গাড়িগুলো আটক করে আমাদেরকে খবর দেয়, তাহলে আমরা এসে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে পারি।

এ অবস্থায় অবৈধ সিলিকা বালু উত্তোলন ও পাচার বন্ধে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ এবং নিয়মিত অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

Tag :

বাহুবলের মাটি থেকে জাতীয়-আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলো ছড়ানো মনীষী সৈয়দ আব্দুল্লাহর জন্মদিন আজ

পুরনো গ্রুপের দ্বন্দ্বের পর নতুন সিন্ডিকেট সক্রিয়, দিনে প্রকাশ্যে উত্তোলন ও রাতে পাচার—প্রশাসনের নীরবতায় ক্ষোভ

নতুন সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যে বাহুবলের হরিতলায় ফের সিলিকা বালু উত্তোলনের হিড়িক

আপডেটের সময়: ১১:৪০:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার হরিতলা এলাকায় আবারও অবাধে সিলিকা বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। প্রশাসনের অভিযানে কিছুদিন বন্ধ থাকার পর বর্তমানে নতুন সিন্ডিকেট গড়ে উঠে পুনরায় বালু উত্তোলন শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এতে করে এলাকায় উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক মাস আগে উপজেলা প্রশাসন অভিযান চালিয়ে বালু উত্তোলন বন্ধে কিছু পদক্ষেপ নেয়। সে সময় পূর্বের দুটি গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্ব ও প্রশাসনের চাপের কারণে কার্যক্রম কিছুদিনের জন্য বন্ধ থাকে। তবে সম্প্রতি নতুন একটি সিন্ডিকেট গড়ে উঠে আবারও পুরোদমে সিলিকা বালু উত্তোলন শুরু করেছে।
অভিযোগ রয়েছে, দিনের বেলায় প্রকাশ্যে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে এবং রাতের আঁধারে ট্রাক, ট্রাক্টরসহ বিভিন্ন যানবাহনে করে তা বিভিন্ন স্থানে পাচার করা হচ্ছে। এতে করে এলাকার কৃষিজমি, টিলা ও পাহাড় মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।

আরও পড়ুনঃ  এইচএসসি পাস করলেন জেলা ছাত্রদল সভাপতির ছেলে, ফেসবুক পোস্ট ঘিরে আলোচনা-সমালোচনা

এলাকাবাসী জানান, হরিতলার বিভিন্ন স্থানে প্রভাবশালী একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে সিলিকা বালু উত্তোলন করে আসছে। প্রশাসনের সাময়িক অভিযানের পর কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও বর্তমানে নতুন সিন্ডিকেটের মাধ্যমে তা আবার শুরু হয়েছে। বিশেষ করে গভীর রাতে বালুভর্তি গাড়ি চলাচল করলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।

আরও পড়ুনঃ  বাহুবলে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন, যুব ঋণ বিতরণ

স্থানীয়দের অভিযোগ, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কর্মকর্তাদের একাধিকবার জানানো হলেও অনেক সময় তারা ফোন রিসিভ করেন না কিংবা কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় না। ফলে বালু উত্তোলনকারী চক্র আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত এক ব্যক্তি বলেন, “আমরা সব কিছু ম্যানেজ করেই বালু উত্তোলন করি।” তার এমন বক্তব্যে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসনের নীরবতা ও দায়িত্বহীনতার সুযোগে একটি নতুন প্রভাবশালী সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পাচার চালিয়ে যাচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ  শিকড় সন্ধানী গবেষক সৈয়দ আব্দুল্লাহর ৭৯তম জন্মদিন আজ

এ বিষয়ে বাহুবল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উজ্জ্বল রায় বলেন, গভীর রাতে অভিযান পরিচালনা করা আমাদের জন্য কঠিন হয়ে যায়। আমরা অভিযানে যাওয়ার আগেই অপরাধীরা খবর পেয়ে যায়, ফলে ঘটনাস্থলে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায় না। তিনি আরও বলেন, রাতের বেলা পুলিশ টহলে থাকে—যে দিক দিয়ে বালু বহন করা হয়, পুলিশ যদি গাড়িগুলো আটক করে আমাদেরকে খবর দেয়, তাহলে আমরা এসে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে পারি।

এ অবস্থায় অবৈধ সিলিকা বালু উত্তোলন ও পাচার বন্ধে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ এবং নিয়মিত অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।