
অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক সহায়তা ও সামাজিক সচেতনতা তৈরিতে কাজ করে যাচ্ছে ইউনাইটেড পিপলস ফাউন্ডেশন। সংগঠনটির চেয়ারম্যান ও মানবাধিকারকর্মী মোঃ মিলাদ আহমেদের নেতৃত্বে পানি, বাসস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নানা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে বলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
সংগঠনটির তথ্যমতে, সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পানির সংকট নিরসনে এ পর্যন্ত ৩৪টি সাবমার্সিবল পাম্প প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি অসহায় ও প্রয়োজনগ্রস্ত ১৬টি পরিবারকে আধাপাকা টিনশেড ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। একটি বেসরকারি বিদ্যালয়ে পাকা টয়লেট নির্মাণ এবং মোহনগঞ্জ থানাধীন আদর্শনগর মসজিদে আইপিএস প্রদানও করা হয়েছে।
মানবিক সহায়তার পাশাপাশি সামাজিক নানা সমস্যা মোকাবিলায় সচেতনতামূলক কর্মসূচিও পরিচালনা করছে সংগঠনটি। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষ্যে সভা, সেমিনার ও খেলাধুলার আয়োজনের মাধ্যমে তরুণ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।
শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্ব
ইউনাইটেড পিপলস ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীকে আত্মনির্ভরশীল করার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবা ও স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধিতেও কাজ করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে রক্তদান কর্মসূচি, বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সংরক্ষণমূলক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।
এ ছাড়া বাল্যবিবাহ, নারী ও শিশু নির্যাতন, দুর্নীতি, মাদক ও সামাজিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরিতে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। স্থানীয় পর্যায়ে এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে সামাজিক দায়বদ্ধতা ও সচেতনতা বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলে সংগঠনটির সংশ্লিষ্টরা জানান।
বাধা ও হুমকির অভিযোগ
মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে গিয়ে বিভিন্ন সময়ে বাধা ও হুমকির মুখে পড়ার অভিযোগ করেছেন সংগঠনটির চেয়ারম্যান মোঃ মিলাদ আহমেদ। তবে প্রতিকূলতা থাকলেও মানবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।
মোঃ মিলাদ আহমেদ বলেন, “মানুষের কল্যাণে কাজ করতে গেলে নানা ধরনের প্রতিকূলতা আসতে পারে। কিন্তু অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখার লক্ষ্য থেকে আমি পিছিয়ে যেতে চাই না।”
সংগঠনটির সংশ্লিষ্টরা জানান, ভবিষ্যতে মানবিক সহায়তার পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ ও সামাজিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে। মানুষের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে ধারাবাহিকভাবে এসব কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে একটি মানবিক ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখাই তাদের লক্ষ্য।
বাহুবল বার্তা ডেস্ক 








