Dhaka ০৩:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
১৩ বছর পর বাহুবলে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচন বাহুবলে বজ্রপাতে ১৬ বছরের কিশোর নিহত ঐতিহ্যবাহী বাহুবলের গৌরব রক্ষা ও সামাজিক সম্প্রীতি বিনির্মাণে আমাদের যৌথ দায়বদ্ধতা বাহুবলে অবৈধ বালু উত্তোলন ও পরিবহন, ২ লাখ টাকা জরিমানা মাদ্রাসায় শিশু শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন কার্যকর জবাবদিহি বাহুবলে আদর্শ মিষ্টি ঘরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি তৈরি, জরিমানা ১ লাখ টাকা শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে মিরপুর কলেজের শিক্ষার্থী পিয়াল সাময়িক বহিষ্কার, ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি বাহুবলে শিক্ষার্থীদের আর্থিক সচেতনতা বাড়াতে ‘স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন’ বাহুবল থেকে মাধবপুরের কাশিমনগর পুলিশ ফাঁড়িতে নতুন আইসি ইকতার মিয়া বাহুবলে ইনডোরে খেলার সময়সূচি নিয়ে তিন ঘণ্টা সংঘর্ষ, আহত অর্ধশত

বাহুবলে ব্যবসায়ী আব্দাল মিয়ার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, রহস্যে ঘেরা মৃত্যু

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের ভূগলী গ্রামে আব্দাল মিয়া (৫০) নামে এক ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অনেকেই এটিকে রহস্যজনক মৃত্যু হিসেবে দেখছেন এবং হত্যার আশঙ্কাও করছেন। তবে পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার আগে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব নয়।

সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে খবর পেয়ে বাহুবল মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। নিহত আব্দাল মিয়া ভূগলী গ্রামের ওয়াছ উল্লাহর ছেলে এবং এলাকায় একজন পরিচিত ব্যবসায়ী হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  ১৩ বছর পর বাহুবলে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচন

নিহতের কেয়ারটেকার মোছা. হোসনা বানু জানান, প্রতিদিনের মতো দুপুর ২টার দিকে তিনি খাবার নিয়ে আব্দাল মিয়ার ঘরে যান। কিন্তু ঘরের প্রধান ফটক ভেতর থেকে বন্ধ থাকায় তিনি বারবার ডাকাডাকি করেন। পরে ঘরের পেছনের জানালা দিয়ে ডাক দিলে নিহতের ছোট ভাই মনির মিয়া এসে ফটক খুলে দেন।

তিনি বলেন, ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে আব্দাল মিয়াকে দেখতে না পেয়ে বিভিন্ন কক্ষে খোঁজাখুঁজি করা হয়। একপর্যায়ে মনির মিয়া তাকে ডেকে জানান, রান্নাঘরে ভাইয়ের মরদেহ দেখা যাচ্ছে। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, জানালার গ্রিলের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তাঁর মরদেহ ঝুলছে।

আরও পড়ুনঃ  ঐতিহ্যবাহী বাহুবলের গৌরব রক্ষা ও সামাজিক সম্প্রীতি বিনির্মাণে আমাদের যৌথ দায়বদ্ধতা

কেয়ারটেকার আরও জানান, আব্দাল মিয়া ও তাঁর ছোট ভাই মনির মিয়া একই বাড়িতে বসবাস করতেন। তাঁদের পরিবারের অন্য সদস্যরা বর্তমানে যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন। দুই ভাই সৎ ভাই হওয়ার পাশাপাশি ভায়রা সম্পর্কেও ছিলেন।

ঘটনার পর থেকেই স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই এটিকে স্বাভাবিক মৃত্যু মনে করছেন না এবং এর পেছনে অন্য কোনো কারণ থাকতে পারে বলে সন্দেহ প্রকাশ করছেন। তবে এসব বিষয় এখনো নিশ্চিত নয়।

আরও পড়ুনঃ  বাহুবলে বজ্রপাতে ১৬ বছরের কিশোর নিহত

বাহুবল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রুহুল আমিন তালুকদার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।

স্থানীয়দের মতে, আব্দাল মিয়া এলাকার একজন সুপরিচিত ব্যবসায়ী ছিলেন। তাঁর হঠাৎ ও রহস্যজনক মৃত্যুতে এলাকায় শোকের পাশাপাশি উদ্বেগও বিরাজ করছে। এখন সবার নজর পুলিশের তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের দিকে।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

১৩ বছর পর বাহুবলে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচন

বাহুবলে ব্যবসায়ী আব্দাল মিয়ার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, রহস্যে ঘেরা মৃত্যু

আপডেটের সময়: ১১:৪৪:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের ভূগলী গ্রামে আব্দাল মিয়া (৫০) নামে এক ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অনেকেই এটিকে রহস্যজনক মৃত্যু হিসেবে দেখছেন এবং হত্যার আশঙ্কাও করছেন। তবে পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার আগে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব নয়।

সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে খবর পেয়ে বাহুবল মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। নিহত আব্দাল মিয়া ভূগলী গ্রামের ওয়াছ উল্লাহর ছেলে এবং এলাকায় একজন পরিচিত ব্যবসায়ী হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  ঐতিহ্যবাহী বাহুবলের গৌরব রক্ষা ও সামাজিক সম্প্রীতি বিনির্মাণে আমাদের যৌথ দায়বদ্ধতা

নিহতের কেয়ারটেকার মোছা. হোসনা বানু জানান, প্রতিদিনের মতো দুপুর ২টার দিকে তিনি খাবার নিয়ে আব্দাল মিয়ার ঘরে যান। কিন্তু ঘরের প্রধান ফটক ভেতর থেকে বন্ধ থাকায় তিনি বারবার ডাকাডাকি করেন। পরে ঘরের পেছনের জানালা দিয়ে ডাক দিলে নিহতের ছোট ভাই মনির মিয়া এসে ফটক খুলে দেন।

তিনি বলেন, ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে আব্দাল মিয়াকে দেখতে না পেয়ে বিভিন্ন কক্ষে খোঁজাখুঁজি করা হয়। একপর্যায়ে মনির মিয়া তাকে ডেকে জানান, রান্নাঘরে ভাইয়ের মরদেহ দেখা যাচ্ছে। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, জানালার গ্রিলের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তাঁর মরদেহ ঝুলছে।

আরও পড়ুনঃ  বাহুবলে বজ্রপাতে ১৬ বছরের কিশোর নিহত

কেয়ারটেকার আরও জানান, আব্দাল মিয়া ও তাঁর ছোট ভাই মনির মিয়া একই বাড়িতে বসবাস করতেন। তাঁদের পরিবারের অন্য সদস্যরা বর্তমানে যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন। দুই ভাই সৎ ভাই হওয়ার পাশাপাশি ভায়রা সম্পর্কেও ছিলেন।

ঘটনার পর থেকেই স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই এটিকে স্বাভাবিক মৃত্যু মনে করছেন না এবং এর পেছনে অন্য কোনো কারণ থাকতে পারে বলে সন্দেহ প্রকাশ করছেন। তবে এসব বিষয় এখনো নিশ্চিত নয়।

আরও পড়ুনঃ  ১৩ বছর পর বাহুবলে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচন

বাহুবল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রুহুল আমিন তালুকদার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।

স্থানীয়দের মতে, আব্দাল মিয়া এলাকার একজন সুপরিচিত ব্যবসায়ী ছিলেন। তাঁর হঠাৎ ও রহস্যজনক মৃত্যুতে এলাকায় শোকের পাশাপাশি উদ্বেগও বিরাজ করছে। এখন সবার নজর পুলিশের তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের দিকে।