Dhaka ০৬:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
১৩ বছর পর নির্বাচন: বাহুবল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি আব্দাল, সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান ১৩ বছর পর বাহুবলে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচন বাহুবলে বজ্রপাতে ১৬ বছরের কিশোর নিহত ঐতিহ্যবাহী বাহুবলের গৌরব রক্ষা ও সামাজিক সম্প্রীতি বিনির্মাণে আমাদের যৌথ দায়বদ্ধতা বাহুবলে অবৈধ বালু উত্তোলন ও পরিবহন, ২ লাখ টাকা জরিমানা মাদ্রাসায় শিশু শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন কার্যকর জবাবদিহি বাহুবলে আদর্শ মিষ্টি ঘরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি তৈরি, জরিমানা ১ লাখ টাকা শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে মিরপুর কলেজের শিক্ষার্থী পিয়াল সাময়িক বহিষ্কার, ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি বাহুবলে শিক্ষার্থীদের আর্থিক সচেতনতা বাড়াতে ‘স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন’ বাহুবল থেকে মাধবপুরের কাশিমনগর পুলিশ ফাঁড়িতে নতুন আইসি ইকতার মিয়া

বাহুবলে সিলিকা বালু কোয়ারির পরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাব নিয়ে আলোচনা সভা

অবৈধ উত্তোলনে পরিবেশ ক্ষতি ও রাজস্ব হারানোর অভিযোগ,আইনগত ইজারার দাবি

বাহুবল উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলার ৮টি সিলিকা বালু কোয়ারির পরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাব মূল্যায়নে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় কোয়ারিগুলোর ইতিবাচক ও নেতিবাচক প্রভাব তুলে ধরে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করেন ফাহিম চৌধুরী।
সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উজ্জ্বল রায়। এতে পরিবেশ অধিদপ্তর, খনিজ সম্পদ অধিদপ্তরসহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক এবং সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  ১৩ বছর পর নির্বাচন: বাহুবল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি আব্দাল, সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান

সভায় জানানো হয়, হবিগঞ্জ জেলায় মোট ২৩টি সিলিকা বালুর কোয়ারি রয়েছে, যার মধ্যে বাহুবল উপজেলায় রয়েছে ৮টি—যেগুলো স্থানীয়ভাবে ‘ছড়া’ হিসেবে পরিচিত।

আরও পড়ুনঃ  ১৩ বছর পর বাহুবলে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচন

বক্তারা বলেন, এসব ছড়ায় দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অবৈধ উপায়ে সিলিকা বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। ফলে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে এবং সামাজিকভাবে বিরূপ প্রভাব পড়ছে। একই সঙ্গে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে।

তারা আরও বলেন, যথাযথ আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এসব ছড়া ইজারা দেওয়া হলে সরকার যেমন রাজস্ব পাবে, তেমনি অবৈধ উত্তোলনও নিয়ন্ত্রণে আসবে।

আরও পড়ুনঃ  বাহুবলে বজ্রপাতে ১৬ বছরের কিশোর নিহত

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উজ্জ্বল রায় বলেন, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের বিবেচনার ওপর নির্ভরশীল। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে উপযুক্ত মনে হলে ইজারা প্রদান করা যেতে পারে। তবে কোনো অবস্থাতেই ছড়ার আড়ালে পাহাড় কেটে বালু উত্তোলন করা যাবে না।

তিনি আরও জানান, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

১৩ বছর পর নির্বাচন: বাহুবল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি আব্দাল, সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান

বাহুবলে সিলিকা বালু কোয়ারির পরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাব নিয়ে আলোচনা সভা

আপডেটের সময়: ০৫:৪৩:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

অবৈধ উত্তোলনে পরিবেশ ক্ষতি ও রাজস্ব হারানোর অভিযোগ,আইনগত ইজারার দাবি

বাহুবল উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলার ৮টি সিলিকা বালু কোয়ারির পরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাব মূল্যায়নে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় কোয়ারিগুলোর ইতিবাচক ও নেতিবাচক প্রভাব তুলে ধরে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করেন ফাহিম চৌধুরী।
সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উজ্জ্বল রায়। এতে পরিবেশ অধিদপ্তর, খনিজ সম্পদ অধিদপ্তরসহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক এবং সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুনঃ  বাহুবলে বজ্রপাতে ১৬ বছরের কিশোর নিহত

সভায় জানানো হয়, হবিগঞ্জ জেলায় মোট ২৩টি সিলিকা বালুর কোয়ারি রয়েছে, যার মধ্যে বাহুবল উপজেলায় রয়েছে ৮টি—যেগুলো স্থানীয়ভাবে ‘ছড়া’ হিসেবে পরিচিত।

আরও পড়ুনঃ  ১৩ বছর পর নির্বাচন: বাহুবল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি আব্দাল, সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান

বক্তারা বলেন, এসব ছড়ায় দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অবৈধ উপায়ে সিলিকা বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। ফলে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে এবং সামাজিকভাবে বিরূপ প্রভাব পড়ছে। একই সঙ্গে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে।

তারা আরও বলেন, যথাযথ আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এসব ছড়া ইজারা দেওয়া হলে সরকার যেমন রাজস্ব পাবে, তেমনি অবৈধ উত্তোলনও নিয়ন্ত্রণে আসবে।

আরও পড়ুনঃ  ১৩ বছর পর বাহুবলে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচন

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উজ্জ্বল রায় বলেন, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের বিবেচনার ওপর নির্ভরশীল। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে উপযুক্ত মনে হলে ইজারা প্রদান করা যেতে পারে। তবে কোনো অবস্থাতেই ছড়ার আড়ালে পাহাড় কেটে বালু উত্তোলন করা যাবে না।

তিনি আরও জানান, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।