Dhaka ০৪:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বাহুবলের সাটিয়াজুরি বাজারে মাদকের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধের সমাবেশ বাহুবলের সাটিয়াজুরী বাজারে মাদকবিরোধী অভিযানে দুইজনের কারাদণ্ড বাহুবলে মাসিক আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত বাহুবলে মাদক সেবন করে উচ্ছৃঙ্খল আচরণে যুবকের কারাদণ্ড খাদিমুল কোরআন পরিষদ বাহুবল সদর ইউনিয়ন শাখার কাউন্সিল সম্পন্ন বাহুবলে ব্যবসায়ী আব্দাল মিয়ার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, রহস্যে ঘেরা মৃত্যু বাহুবলের মিরপুর বাজার থেকে ১৮ কেজি নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ জব্দ বাহুবলে মাদক সেবন ও বহনের দায়ে দেড় বছরের কারাদণ্ড, গাঁজা জব্দ ও ধ্বংস বাহুবলে মাদক সেবনে উচ্ছৃঙ্খলতা: যুবকের ১ বছরের কারাদণ্ড সংবাদ প্রতিবাদ ও স্পষ্টীকরণ

আজ ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া দিবস: মুক্তিযুদ্ধের প্রথম রণকৌশল নির্ধারণের মাহেন্দ্রক্ষণ

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেটের সময়: ১০:২২:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬
  • ২০৫ সময় দেখুন

আজ ৪ এপ্রিল, ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া চা বাগানের ম্যানেজার বাংলোয় অনুষ্ঠিত হয়েছিল মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সামরিক বৈঠক। এই বৈঠকেই দেশকে স্বাধীন করার শপথ গ্রহণ এবং যুদ্ধের সর্বাত্মক রণকৌশল নির্ধারণ করা হয়।

তৎকালীন ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ঊর্ধ্বতন ২৭ জন সেনা কর্মকর্তার উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে অংশ নেন মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক আতাউল গণি ওসমানী, মেজর জিয়াউর রহমান, মেজর কে.এম. শফিউল্লাহসহ প্রথিতযশা সামরিক নেতৃবৃন্দ। এই বৈঠকেই মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সারা দেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  বাহুবলের সাটিয়াজুরি বাজারে মাদকের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধের সমাবেশ

ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিভিন্ন সেক্টরের দায়িত্ব বণ্টন করা হয়। ১ নম্বর সেক্টরের দায়িত্ব পান মেজর জিয়াউর রহমান, ২ নম্বর সেক্টরে প্রথমে খালেদ মোশাররফ ও পরে মেজর হায়দার এবং ৩ নম্বর সেক্টরে মেজর শফিউল্লাহ ও পরবর্তীতে মেজর নুরুজ্জামান দায়িত্ব পালন করেন। একই সঙ্গে মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে ‘জেড ফোর্স’, মেজর শফিউল্লাহর নেতৃত্বে ‘এস ফোর্স’ এবং মেজর খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে ‘কে ফোর্স’ গঠন করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  বাহুবলের সাটিয়াজুরী বাজারে মাদকবিরোধী অভিযানে দুইজনের কারাদণ্ড

তৎকালীন ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ঊর্ধ্বতন ২৭ জন সেনা কর্মকর্তার উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে অংশ নেন মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক আতাউল গণি ওসমানী, মেজর জিয়াউর রহমান, মেজর কে.এম. শফিউল্লাহসহ প্রথিতযশা সামরিক নেতৃবৃন্দ। এই বৈঠকেই মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সারা দেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  বাহুবলে মাসিক আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিভিন্ন সেক্টরের দায়িত্ব বণ্টন করা হয়। ১ নম্বর সেক্টরের দায়িত্ব পান মেজর জিয়াউর রহমান, ২ নম্বর সেক্টরে প্রথমে খালেদ মোশাররফ ও পরে মেজর হায়দার এবং ৩ নম্বর সেক্টরে মেজর শফিউল্লাহ ও পরবর্তীতে মেজর নুরুজ্জামান দায়িত্ব পালন করেন। একই সঙ্গে মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে ‘জেড ফোর্স’, মেজর শফিউল্লাহর নেতৃত্বে ‘এস ফোর্স’ এবং মেজর খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে ‘কে ফোর্স’ গঠন করা হয়।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

বাহুবলের সাটিয়াজুরি বাজারে মাদকের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধের সমাবেশ

আজ ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া দিবস: মুক্তিযুদ্ধের প্রথম রণকৌশল নির্ধারণের মাহেন্দ্রক্ষণ

আপডেটের সময়: ১০:২২:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

আজ ৪ এপ্রিল, ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া চা বাগানের ম্যানেজার বাংলোয় অনুষ্ঠিত হয়েছিল মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সামরিক বৈঠক। এই বৈঠকেই দেশকে স্বাধীন করার শপথ গ্রহণ এবং যুদ্ধের সর্বাত্মক রণকৌশল নির্ধারণ করা হয়।

তৎকালীন ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ঊর্ধ্বতন ২৭ জন সেনা কর্মকর্তার উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে অংশ নেন মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক আতাউল গণি ওসমানী, মেজর জিয়াউর রহমান, মেজর কে.এম. শফিউল্লাহসহ প্রথিতযশা সামরিক নেতৃবৃন্দ। এই বৈঠকেই মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সারা দেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  বাহুবলের সাটিয়াজুরী বাজারে মাদকবিরোধী অভিযানে দুইজনের কারাদণ্ড

ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিভিন্ন সেক্টরের দায়িত্ব বণ্টন করা হয়। ১ নম্বর সেক্টরের দায়িত্ব পান মেজর জিয়াউর রহমান, ২ নম্বর সেক্টরে প্রথমে খালেদ মোশাররফ ও পরে মেজর হায়দার এবং ৩ নম্বর সেক্টরে মেজর শফিউল্লাহ ও পরবর্তীতে মেজর নুরুজ্জামান দায়িত্ব পালন করেন। একই সঙ্গে মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে ‘জেড ফোর্স’, মেজর শফিউল্লাহর নেতৃত্বে ‘এস ফোর্স’ এবং মেজর খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে ‘কে ফোর্স’ গঠন করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  বাহুবলে মাসিক আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

তৎকালীন ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ঊর্ধ্বতন ২৭ জন সেনা কর্মকর্তার উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে অংশ নেন মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক আতাউল গণি ওসমানী, মেজর জিয়াউর রহমান, মেজর কে.এম. শফিউল্লাহসহ প্রথিতযশা সামরিক নেতৃবৃন্দ। এই বৈঠকেই মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সারা দেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  বাহুবলের সাটিয়াজুরি বাজারে মাদকের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধের সমাবেশ

ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিভিন্ন সেক্টরের দায়িত্ব বণ্টন করা হয়। ১ নম্বর সেক্টরের দায়িত্ব পান মেজর জিয়াউর রহমান, ২ নম্বর সেক্টরে প্রথমে খালেদ মোশাররফ ও পরে মেজর হায়দার এবং ৩ নম্বর সেক্টরে মেজর শফিউল্লাহ ও পরবর্তীতে মেজর নুরুজ্জামান দায়িত্ব পালন করেন। একই সঙ্গে মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে ‘জেড ফোর্স’, মেজর শফিউল্লাহর নেতৃত্বে ‘এস ফোর্স’ এবং মেজর খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে ‘কে ফোর্স’ গঠন করা হয়।