Dhaka ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বাহুবলের মিরপুরে পিকআপ-কাভার্ড ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১ এইচএসসি পাস করলেন জেলা ছাত্রদল সভাপতির ছেলে, ফেসবুক পোস্ট ঘিরে আলোচনা-সমালোচনা বাহুবলে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন, যুব ঋণ বিতরণ বাহুবলে অবৈধ বালু পরিবহনে রাত ১টায় অভিযান, জরিমানা ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা অনুমতি ছাড়া মেলার আয়োজন, প্রশাসনের অভিযানে পণ্ড হলো মিরপুরের বাণিজ্যমেলা দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে ঝুলিয়ে রাখা এবং ২ হাজার ৮১১ কোটি টাকা ব্যয়ের পর অবশেষে বাতিল করা হয়েছে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বহুল আলোচিত ঢাকা-গাজীপুর বাস র‍্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্প। মাদারীপুরের শিবচরে আধুনিক চারতলা ডাকবাংলো ভবনের উদ্বোধন, সেলাই প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নারীদের সনদ ও আর্থিক সহায়তা প্রদান, আফগানদের কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ টাইগারদের হবিগঞ্জে জমিয়ত মহাসচিব ড. গোলাম মহিউদ্দিন ইকরামের দিনব্যাপী সাংগঠনিক সফর ও মতবিনিময় ১০ ফুট দূরত্বে মসজিদ-মন্দির, সম্প্রীতির অনন্য নজির বাহুবলে

আজ ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া দিবস: মুক্তিযুদ্ধের প্রথম রণকৌশল নির্ধারণের মাহেন্দ্রক্ষণ

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেটের সময়: ১০:২২:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬
  • ২৪৫ সময় দেখুন

আজ ৪ এপ্রিল, ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া চা বাগানের ম্যানেজার বাংলোয় অনুষ্ঠিত হয়েছিল মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সামরিক বৈঠক। এই বৈঠকেই দেশকে স্বাধীন করার শপথ গ্রহণ এবং যুদ্ধের সর্বাত্মক রণকৌশল নির্ধারণ করা হয়।

তৎকালীন ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ঊর্ধ্বতন ২৭ জন সেনা কর্মকর্তার উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে অংশ নেন মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক আতাউল গণি ওসমানী, মেজর জিয়াউর রহমান, মেজর কে.এম. শফিউল্লাহসহ প্রথিতযশা সামরিক নেতৃবৃন্দ। এই বৈঠকেই মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সারা দেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  বাহুবলে অবৈধ বালু পরিবহনে রাত ১টায় অভিযান, জরিমানা ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা

ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিভিন্ন সেক্টরের দায়িত্ব বণ্টন করা হয়। ১ নম্বর সেক্টরের দায়িত্ব পান মেজর জিয়াউর রহমান, ২ নম্বর সেক্টরে প্রথমে খালেদ মোশাররফ ও পরে মেজর হায়দার এবং ৩ নম্বর সেক্টরে মেজর শফিউল্লাহ ও পরবর্তীতে মেজর নুরুজ্জামান দায়িত্ব পালন করেন। একই সঙ্গে মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে ‘জেড ফোর্স’, মেজর শফিউল্লাহর নেতৃত্বে ‘এস ফোর্স’ এবং মেজর খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে ‘কে ফোর্স’ গঠন করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  অনুমতি ছাড়া মেলার আয়োজন, প্রশাসনের অভিযানে পণ্ড হলো মিরপুরের বাণিজ্যমেলা

তৎকালীন ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ঊর্ধ্বতন ২৭ জন সেনা কর্মকর্তার উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে অংশ নেন মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক আতাউল গণি ওসমানী, মেজর জিয়াউর রহমান, মেজর কে.এম. শফিউল্লাহসহ প্রথিতযশা সামরিক নেতৃবৃন্দ। এই বৈঠকেই মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সারা দেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  বাহুবলে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন, যুব ঋণ বিতরণ

ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিভিন্ন সেক্টরের দায়িত্ব বণ্টন করা হয়। ১ নম্বর সেক্টরের দায়িত্ব পান মেজর জিয়াউর রহমান, ২ নম্বর সেক্টরে প্রথমে খালেদ মোশাররফ ও পরে মেজর হায়দার এবং ৩ নম্বর সেক্টরে মেজর শফিউল্লাহ ও পরবর্তীতে মেজর নুরুজ্জামান দায়িত্ব পালন করেন। একই সঙ্গে মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে ‘জেড ফোর্স’, মেজর শফিউল্লাহর নেতৃত্বে ‘এস ফোর্স’ এবং মেজর খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে ‘কে ফোর্স’ গঠন করা হয়।

Tag :

বাহুবলের মিরপুরে পিকআপ-কাভার্ড ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১

আজ ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া দিবস: মুক্তিযুদ্ধের প্রথম রণকৌশল নির্ধারণের মাহেন্দ্রক্ষণ

আপডেটের সময়: ১০:২২:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

আজ ৪ এপ্রিল, ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া চা বাগানের ম্যানেজার বাংলোয় অনুষ্ঠিত হয়েছিল মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সামরিক বৈঠক। এই বৈঠকেই দেশকে স্বাধীন করার শপথ গ্রহণ এবং যুদ্ধের সর্বাত্মক রণকৌশল নির্ধারণ করা হয়।

তৎকালীন ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ঊর্ধ্বতন ২৭ জন সেনা কর্মকর্তার উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে অংশ নেন মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক আতাউল গণি ওসমানী, মেজর জিয়াউর রহমান, মেজর কে.এম. শফিউল্লাহসহ প্রথিতযশা সামরিক নেতৃবৃন্দ। এই বৈঠকেই মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সারা দেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  অনুমতি ছাড়া মেলার আয়োজন, প্রশাসনের অভিযানে পণ্ড হলো মিরপুরের বাণিজ্যমেলা

ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিভিন্ন সেক্টরের দায়িত্ব বণ্টন করা হয়। ১ নম্বর সেক্টরের দায়িত্ব পান মেজর জিয়াউর রহমান, ২ নম্বর সেক্টরে প্রথমে খালেদ মোশাররফ ও পরে মেজর হায়দার এবং ৩ নম্বর সেক্টরে মেজর শফিউল্লাহ ও পরবর্তীতে মেজর নুরুজ্জামান দায়িত্ব পালন করেন। একই সঙ্গে মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে ‘জেড ফোর্স’, মেজর শফিউল্লাহর নেতৃত্বে ‘এস ফোর্স’ এবং মেজর খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে ‘কে ফোর্স’ গঠন করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  বাহুবলে অবৈধ বালু পরিবহনে রাত ১টায় অভিযান, জরিমানা ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা

তৎকালীন ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ঊর্ধ্বতন ২৭ জন সেনা কর্মকর্তার উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে অংশ নেন মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক আতাউল গণি ওসমানী, মেজর জিয়াউর রহমান, মেজর কে.এম. শফিউল্লাহসহ প্রথিতযশা সামরিক নেতৃবৃন্দ। এই বৈঠকেই মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সারা দেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  বাহুবলে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন, যুব ঋণ বিতরণ

ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিভিন্ন সেক্টরের দায়িত্ব বণ্টন করা হয়। ১ নম্বর সেক্টরের দায়িত্ব পান মেজর জিয়াউর রহমান, ২ নম্বর সেক্টরে প্রথমে খালেদ মোশাররফ ও পরে মেজর হায়দার এবং ৩ নম্বর সেক্টরে মেজর শফিউল্লাহ ও পরবর্তীতে মেজর নুরুজ্জামান দায়িত্ব পালন করেন। একই সঙ্গে মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে ‘জেড ফোর্স’, মেজর শফিউল্লাহর নেতৃত্বে ‘এস ফোর্স’ এবং মেজর খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে ‘কে ফোর্স’ গঠন করা হয়।