Dhaka ০২:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বাহুবলের সাটিয়াজুরি বাজারে মাদকের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধের সমাবেশ বাহুবলের সাটিয়াজুরী বাজারে মাদকবিরোধী অভিযানে দুইজনের কারাদণ্ড বাহুবলে মাসিক আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত বাহুবলে মাদক সেবন করে উচ্ছৃঙ্খল আচরণে যুবকের কারাদণ্ড খাদিমুল কোরআন পরিষদ বাহুবল সদর ইউনিয়ন শাখার কাউন্সিল সম্পন্ন বাহুবলে ব্যবসায়ী আব্দাল মিয়ার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, রহস্যে ঘেরা মৃত্যু বাহুবলের মিরপুর বাজার থেকে ১৮ কেজি নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ জব্দ বাহুবলে মাদক সেবন ও বহনের দায়ে দেড় বছরের কারাদণ্ড, গাঁজা জব্দ ও ধ্বংস বাহুবলে মাদক সেবনে উচ্ছৃঙ্খলতা: যুবকের ১ বছরের কারাদণ্ড সংবাদ প্রতিবাদ ও স্পষ্টীকরণ

বাহুবলে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ, ক্ষোভে মুক্তিযোদ্ধারা

বাহুবল উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শেখ মোহাম্মদ ফিরোজ মিয়ার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, আর্থিক সুবিধা গ্রহণ ও অবৈধ কার্যক্রমে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যেও ব্যাপক ক্ষোভ বিরাজ করছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, সংশ্লিষ্ট কমান্ডার দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন খাতে আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করে আসছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে সরকারি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ও কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠে এসেছে।

আরও পড়ুনঃ  বাহুবলে মাসিক আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন জাতীয় দিবস ও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য সরকার কর্তৃক মুক্তিযোদ্ধাদের যে যাতায়াত ভাতা প্রদান করা হয়, সেখান থেকে তিনি একটি অংশ রেখে দেন। বিষয়টি নিয়ে অনেক মুক্তিযোদ্ধা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং এটিকে অনৈতিক বলে মন্তব্য করেছেন।

এছাড়া বাহুবল বাজার এলাকায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি স্থাপনা থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে মাসিক ভাড়া আদায় করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

আরও পড়ুনঃ  বাহুবলে ব্যবসায়ী আব্দাল মিয়ার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, রহস্যে ঘেরা মৃত্যু

আরও জানা যায়, অবৈধ বালু ও মাটি ব্যবসার সাথেও তিনি জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সংক্রান্ত ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে দুই দফা মুচলেকা দিয়ে তিনি দায়মুক্তি পান বলে স্থানীয়দের দাবি।

স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, তিনি পূর্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বাহুবল উপজেলা শাখার মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর নিজেকে ভিন্ন রাজনৈতিক পরিচয়ে উপস্থাপন করছেন বলেও এলাকায় আলোচনা রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  বাহুবলের সাটিয়াজুরী বাজারে মাদকবিরোধী অভিযানে দুইজনের কারাদণ্ড

স্থানীয়দের মতে, এসব কর্মকাণ্ডের কারণে মুক্তিযোদ্ধা সমাজের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে এবং বিষয়টি দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে কমান্ডার শেখ মোহাম্মদ ফিরোজ মিয়ার মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এদিকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল। তাদের মতে, অভিযোগগুলো সঠিকভাবে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

বাহুবলের সাটিয়াজুরি বাজারে মাদকের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধের সমাবেশ

বাহুবলে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ, ক্ষোভে মুক্তিযোদ্ধারা

আপডেটের সময়: ০৫:৩০:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

বাহুবল উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শেখ মোহাম্মদ ফিরোজ মিয়ার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, আর্থিক সুবিধা গ্রহণ ও অবৈধ কার্যক্রমে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যেও ব্যাপক ক্ষোভ বিরাজ করছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, সংশ্লিষ্ট কমান্ডার দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন খাতে আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করে আসছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে সরকারি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ও কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠে এসেছে।

আরও পড়ুনঃ  বাহুবলে ব্যবসায়ী আব্দাল মিয়ার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, রহস্যে ঘেরা মৃত্যু

অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন জাতীয় দিবস ও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য সরকার কর্তৃক মুক্তিযোদ্ধাদের যে যাতায়াত ভাতা প্রদান করা হয়, সেখান থেকে তিনি একটি অংশ রেখে দেন। বিষয়টি নিয়ে অনেক মুক্তিযোদ্ধা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং এটিকে অনৈতিক বলে মন্তব্য করেছেন।

এছাড়া বাহুবল বাজার এলাকায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি স্থাপনা থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে মাসিক ভাড়া আদায় করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

আরও পড়ুনঃ  বাহুবলের সাটিয়াজুরি বাজারে মাদকের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধের সমাবেশ

আরও জানা যায়, অবৈধ বালু ও মাটি ব্যবসার সাথেও তিনি জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সংক্রান্ত ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে দুই দফা মুচলেকা দিয়ে তিনি দায়মুক্তি পান বলে স্থানীয়দের দাবি।

স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, তিনি পূর্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বাহুবল উপজেলা শাখার মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর নিজেকে ভিন্ন রাজনৈতিক পরিচয়ে উপস্থাপন করছেন বলেও এলাকায় আলোচনা রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  খাদিমুল কোরআন পরিষদ বাহুবল সদর ইউনিয়ন শাখার কাউন্সিল সম্পন্ন

স্থানীয়দের মতে, এসব কর্মকাণ্ডের কারণে মুক্তিযোদ্ধা সমাজের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে এবং বিষয়টি দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে কমান্ডার শেখ মোহাম্মদ ফিরোজ মিয়ার মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এদিকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল। তাদের মতে, অভিযোগগুলো সঠিকভাবে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।