Dhaka ১২:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বাহুবলে বজ্রপাতে ১৬ বছরের কিশোর নিহত ঐতিহ্যবাহী বাহুবলের গৌরব রক্ষা ও সামাজিক সম্প্রীতি বিনির্মাণে আমাদের যৌথ দায়বদ্ধতা বাহুবলে অবৈধ বালু উত্তোলন ও পরিবহন, ২ লাখ টাকা জরিমানা মাদ্রাসায় শিশু শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন কার্যকর জবাবদিহি বাহুবলে আদর্শ মিষ্টি ঘরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি তৈরি, জরিমানা ১ লাখ টাকা শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে মিরপুর কলেজের শিক্ষার্থী পিয়াল সাময়িক বহিষ্কার, ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি বাহুবলে শিক্ষার্থীদের আর্থিক সচেতনতা বাড়াতে ‘স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন’ বাহুবল থেকে মাধবপুরের কাশিমনগর পুলিশ ফাঁড়িতে নতুন আইসি ইকতার মিয়া বাহুবলে ইনডোরে খেলার সময়সূচি নিয়ে তিন ঘণ্টা সংঘর্ষ, আহত অর্ধশত বাহুবলের হরাইটেকায় চায়ের বিল নিয়ে তর্কের জেরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত ১৫-২০

আজ ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া দিবস: মুক্তিযুদ্ধের প্রথম রণকৌশল নির্ধারণের মাহেন্দ্রক্ষণ

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেটের সময়: ১০:২২:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬
  • ২২২ সময় দেখুন

আজ ৪ এপ্রিল, ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া চা বাগানের ম্যানেজার বাংলোয় অনুষ্ঠিত হয়েছিল মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সামরিক বৈঠক। এই বৈঠকেই দেশকে স্বাধীন করার শপথ গ্রহণ এবং যুদ্ধের সর্বাত্মক রণকৌশল নির্ধারণ করা হয়।

তৎকালীন ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ঊর্ধ্বতন ২৭ জন সেনা কর্মকর্তার উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে অংশ নেন মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক আতাউল গণি ওসমানী, মেজর জিয়াউর রহমান, মেজর কে.এম. শফিউল্লাহসহ প্রথিতযশা সামরিক নেতৃবৃন্দ। এই বৈঠকেই মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সারা দেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  বাহুবলে বজ্রপাতে ১৬ বছরের কিশোর নিহত

ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিভিন্ন সেক্টরের দায়িত্ব বণ্টন করা হয়। ১ নম্বর সেক্টরের দায়িত্ব পান মেজর জিয়াউর রহমান, ২ নম্বর সেক্টরে প্রথমে খালেদ মোশাররফ ও পরে মেজর হায়দার এবং ৩ নম্বর সেক্টরে মেজর শফিউল্লাহ ও পরবর্তীতে মেজর নুরুজ্জামান দায়িত্ব পালন করেন। একই সঙ্গে মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে ‘জেড ফোর্স’, মেজর শফিউল্লাহর নেতৃত্বে ‘এস ফোর্স’ এবং মেজর খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে ‘কে ফোর্স’ গঠন করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  ঐতিহ্যবাহী বাহুবলের গৌরব রক্ষা ও সামাজিক সম্প্রীতি বিনির্মাণে আমাদের যৌথ দায়বদ্ধতা

তৎকালীন ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ঊর্ধ্বতন ২৭ জন সেনা কর্মকর্তার উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে অংশ নেন মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক আতাউল গণি ওসমানী, মেজর জিয়াউর রহমান, মেজর কে.এম. শফিউল্লাহসহ প্রথিতযশা সামরিক নেতৃবৃন্দ। এই বৈঠকেই মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সারা দেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  বাহুবলে বজ্রপাতে ১৬ বছরের কিশোর নিহত

ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিভিন্ন সেক্টরের দায়িত্ব বণ্টন করা হয়। ১ নম্বর সেক্টরের দায়িত্ব পান মেজর জিয়াউর রহমান, ২ নম্বর সেক্টরে প্রথমে খালেদ মোশাররফ ও পরে মেজর হায়দার এবং ৩ নম্বর সেক্টরে মেজর শফিউল্লাহ ও পরবর্তীতে মেজর নুরুজ্জামান দায়িত্ব পালন করেন। একই সঙ্গে মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে ‘জেড ফোর্স’, মেজর শফিউল্লাহর নেতৃত্বে ‘এস ফোর্স’ এবং মেজর খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে ‘কে ফোর্স’ গঠন করা হয়।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

বাহুবলে বজ্রপাতে ১৬ বছরের কিশোর নিহত

আজ ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া দিবস: মুক্তিযুদ্ধের প্রথম রণকৌশল নির্ধারণের মাহেন্দ্রক্ষণ

আপডেটের সময়: ১০:২২:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

আজ ৪ এপ্রিল, ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া চা বাগানের ম্যানেজার বাংলোয় অনুষ্ঠিত হয়েছিল মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সামরিক বৈঠক। এই বৈঠকেই দেশকে স্বাধীন করার শপথ গ্রহণ এবং যুদ্ধের সর্বাত্মক রণকৌশল নির্ধারণ করা হয়।

তৎকালীন ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ঊর্ধ্বতন ২৭ জন সেনা কর্মকর্তার উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে অংশ নেন মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক আতাউল গণি ওসমানী, মেজর জিয়াউর রহমান, মেজর কে.এম. শফিউল্লাহসহ প্রথিতযশা সামরিক নেতৃবৃন্দ। এই বৈঠকেই মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সারা দেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  বাহুবলে বজ্রপাতে ১৬ বছরের কিশোর নিহত

ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিভিন্ন সেক্টরের দায়িত্ব বণ্টন করা হয়। ১ নম্বর সেক্টরের দায়িত্ব পান মেজর জিয়াউর রহমান, ২ নম্বর সেক্টরে প্রথমে খালেদ মোশাররফ ও পরে মেজর হায়দার এবং ৩ নম্বর সেক্টরে মেজর শফিউল্লাহ ও পরবর্তীতে মেজর নুরুজ্জামান দায়িত্ব পালন করেন। একই সঙ্গে মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে ‘জেড ফোর্স’, মেজর শফিউল্লাহর নেতৃত্বে ‘এস ফোর্স’ এবং মেজর খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে ‘কে ফোর্স’ গঠন করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  ঐতিহ্যবাহী বাহুবলের গৌরব রক্ষা ও সামাজিক সম্প্রীতি বিনির্মাণে আমাদের যৌথ দায়বদ্ধতা

তৎকালীন ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ঊর্ধ্বতন ২৭ জন সেনা কর্মকর্তার উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে অংশ নেন মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক আতাউল গণি ওসমানী, মেজর জিয়াউর রহমান, মেজর কে.এম. শফিউল্লাহসহ প্রথিতযশা সামরিক নেতৃবৃন্দ। এই বৈঠকেই মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সারা দেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।

আরও পড়ুনঃ  ঐতিহ্যবাহী বাহুবলের গৌরব রক্ষা ও সামাজিক সম্প্রীতি বিনির্মাণে আমাদের যৌথ দায়বদ্ধতা

ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিভিন্ন সেক্টরের দায়িত্ব বণ্টন করা হয়। ১ নম্বর সেক্টরের দায়িত্ব পান মেজর জিয়াউর রহমান, ২ নম্বর সেক্টরে প্রথমে খালেদ মোশাররফ ও পরে মেজর হায়দার এবং ৩ নম্বর সেক্টরে মেজর শফিউল্লাহ ও পরবর্তীতে মেজর নুরুজ্জামান দায়িত্ব পালন করেন। একই সঙ্গে মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে ‘জেড ফোর্স’, মেজর শফিউল্লাহর নেতৃত্বে ‘এস ফোর্স’ এবং মেজর খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে ‘কে ফোর্স’ গঠন করা হয়।