Dhaka ০৪:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বাহুবলে অবৈধ বালু পরিবহনে রাত ১টায় অভিযান, জরিমানা ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা অনুমতি ছাড়া মেলার আয়োজন, প্রশাসনের অভিযানে পণ্ড হলো মিরপুরের বাণিজ্যমেলা দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে ঝুলিয়ে রাখা এবং ২ হাজার ৮১১ কোটি টাকা ব্যয়ের পর অবশেষে বাতিল করা হয়েছে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বহুল আলোচিত ঢাকা-গাজীপুর বাস র‍্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্প। মাদারীপুরের শিবচরে আধুনিক চারতলা ডাকবাংলো ভবনের উদ্বোধন, সেলাই প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নারীদের সনদ ও আর্থিক সহায়তা প্রদান, আফগানদের কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ টাইগারদের হবিগঞ্জে জমিয়ত মহাসচিব ড. গোলাম মহিউদ্দিন ইকরামের দিনব্যাপী সাংগঠনিক সফর ও মতবিনিময় ১০ ফুট দূরত্বে মসজিদ-মন্দির, সম্প্রীতির অনন্য নজির বাহুবলে বাহুবলে দুর্ধর্ষ কাভার্ডভ্যান ছিনতাই, ৪ জন গ্রেপ্তার বাহুবলে বন বিভাগের অভিযানে উদ্ধার আড়াই একর বনভূমি হবিগঞ্জ জেলা ভেকু শ্রমিক ইউনিয়নের ২১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন
চবির পরিস্থিতি রণক্ষেত্রের ন্যায়। প্রতিটি গলি থেকে রক্তাক্ত দেহ হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে। এমনকি প্রশাসনের দায়িত্বশীল প্রক্টরও হামলার শিকার হয়েছেন—যা প্রমাণ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভয়াবহভাবে ভেঙে পড়েছে।” ছাত্রী সংস্থা।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ইসলামী ছাত্রী সংস্থা

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি, শিক্ষার্থীদের উপর নৃশংস হামলা ও প্রক্টরকে লাঞ্চিত করার ঘটনায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থা গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। গত (৩১ আগস্ট ২০২৫) এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভানেত্রী মুনজিয়া ও সেক্রেটারি জেনারেল উম্মে আরওয়া বলেন,
“এই সহিংস ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের চরম নিরাপত্তাহীনতার বহিঃপ্রকাশ এবং প্রশাসনের অকার্যকারিতার চাক্ষুষ প্রমাণ।”

নেত্রীবৃন্দ বলেন, “শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসে জ্ঞান অর্জনের জন্য, কিন্তু চবির পরিস্থিতি রণক্ষেত্রের ন্যায়। প্রতিটি গলি থেকে রক্তাক্ত দেহ হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে। এমনকি প্রশাসনের দায়িত্বশীল প্রক্টরও হামলার শিকার হয়েছেন—যা প্রমাণ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভয়াবহভাবে ভেঙে পড়েছে।”
নেত্রীবৃন্দ আরও বলেন, “ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের জান-মালের নিরাপত্তা দিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের ব্যর্থতা চরমে পৌঁছেছে। এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও মেরুদণ্ডহীনতার পরিচয় দিয়ে নীরব দর্শকের ভূমিকায় রয়েছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ”

বিবৃতিতে নেত্রীবৃন্দ জোর দিয়ে বলেন, “একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের রক্ত ঝরবে, প্রক্টর পর্যন্ত নিরাপদ থাকবেন না—এটি পুরো দেশের জন্য কলঙ্কজনক। পুরো ঘটনার পেছনে উস্কানীদাতাদের এবং হামলাকারীদের অবিলম্বে চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে দৃশ্যমান পদক্ষেপ, প্রশাসনের জবাবদিহিতা এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।”
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরিয়ে আনা রাষ্ট্র ও প্রশাসন উভয়ের দায়িত্ব। আমরা আশা করি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের অন্য কোন ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীরা আর কখনো এমন রক্তাক্ত নৈরাজ্যের শিকার হবে না এবং তাদের নিরাপদ পরিবেশে অধ্যয়ন করার পূর্ণ নিশ্চয়তা দেওয়া হবে।

মায়াসসালাম,
রিনতাহা তারান্নুম
প্রচার বিভাগীয় সম্পাদিকা
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থা
প্রতিবেদক: মোহাম্মদ জাকির হোসাইন, স্টাফ রিপোর্টার সুরমা দর্পণ।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

বাহুবলে অবৈধ বালু পরিবহনে রাত ১টায় অভিযান, জরিমানা ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা

চবির পরিস্থিতি রণক্ষেত্রের ন্যায়। প্রতিটি গলি থেকে রক্তাক্ত দেহ হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে। এমনকি প্রশাসনের দায়িত্বশীল প্রক্টরও হামলার শিকার হয়েছেন—যা প্রমাণ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভয়াবহভাবে ভেঙে পড়েছে।” ছাত্রী সংস্থা।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ইসলামী ছাত্রী সংস্থা

আপডেটের সময়: ০৯:১৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি, শিক্ষার্থীদের উপর নৃশংস হামলা ও প্রক্টরকে লাঞ্চিত করার ঘটনায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থা গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। গত (৩১ আগস্ট ২০২৫) এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভানেত্রী মুনজিয়া ও সেক্রেটারি জেনারেল উম্মে আরওয়া বলেন,
“এই সহিংস ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের চরম নিরাপত্তাহীনতার বহিঃপ্রকাশ এবং প্রশাসনের অকার্যকারিতার চাক্ষুষ প্রমাণ।”

নেত্রীবৃন্দ বলেন, “শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসে জ্ঞান অর্জনের জন্য, কিন্তু চবির পরিস্থিতি রণক্ষেত্রের ন্যায়। প্রতিটি গলি থেকে রক্তাক্ত দেহ হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে। এমনকি প্রশাসনের দায়িত্বশীল প্রক্টরও হামলার শিকার হয়েছেন—যা প্রমাণ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভয়াবহভাবে ভেঙে পড়েছে।”
নেত্রীবৃন্দ আরও বলেন, “ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের জান-মালের নিরাপত্তা দিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের ব্যর্থতা চরমে পৌঁছেছে। এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও মেরুদণ্ডহীনতার পরিচয় দিয়ে নীরব দর্শকের ভূমিকায় রয়েছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ”

বিবৃতিতে নেত্রীবৃন্দ জোর দিয়ে বলেন, “একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের রক্ত ঝরবে, প্রক্টর পর্যন্ত নিরাপদ থাকবেন না—এটি পুরো দেশের জন্য কলঙ্কজনক। পুরো ঘটনার পেছনে উস্কানীদাতাদের এবং হামলাকারীদের অবিলম্বে চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে দৃশ্যমান পদক্ষেপ, প্রশাসনের জবাবদিহিতা এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।”
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরিয়ে আনা রাষ্ট্র ও প্রশাসন উভয়ের দায়িত্ব। আমরা আশা করি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের অন্য কোন ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীরা আর কখনো এমন রক্তাক্ত নৈরাজ্যের শিকার হবে না এবং তাদের নিরাপদ পরিবেশে অধ্যয়ন করার পূর্ণ নিশ্চয়তা দেওয়া হবে।

মায়াসসালাম,
রিনতাহা তারান্নুম
প্রচার বিভাগীয় সম্পাদিকা
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থা
প্রতিবেদক: মোহাম্মদ জাকির হোসাইন, স্টাফ রিপোর্টার সুরমা দর্পণ।